শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৪
আজ দ্বিধা জাগে –মাটির বুকে সুখের অস্তিত্ব নিয়ে,
শূন্যে ভেসে যাওয়া পাখির ডানায় সুখ দেখে ভাবি আমি-
হয়তো সব হয়ে গেছে লুট,এখানে শুধুই হাহাকার,
এ শুধু কেবলই বিরান ভুমি
-তাই দ্বিধা জাগে।
অরণ্যের কাঁচা সবুজের মাঝে বিষ কাঁটা,
চোরা-আগুন শুকনো পাতায়, দ্বিধা তাই পথ চলায়-
বিচরিত পতঙ্গের জীবন পারাপারে।
বাতাসের প্রানে বিষবাস্প,মিশে আছে মৃত্যুর ছায়া,
তবুও আশৈশব অভ্যস্ত,ক্রমেই ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাওয়া।
আজ প্রান ভরে শ্বাস নিতে -তাই দ্বিধা জাগে।
যে মাটির বুকে মানুষ বেঁধেছে ঘর, আজ বুঝি তা ভঙ্গুর,
যে আকাশ ভেবেছি সীমাহীন আজ তার সীমারেখা সম্মুখে।
আজ দেখি নক্ষত্র আলোক বিন্দুরও আছে অপমৃত্যু,
শতাব্দীর বুকে টিকে থাকতে পারে না ধীরেন কচ্ছপও।
ঘাস ফড়িং,রঙিন ঘুড়ি,দুরন্ত ফিঙে পাখিটার ডানায়ও-
ভর করে ক্লান্তি। ফুরিয়ে যায় প্রদীপের ভেজা সলতে
-তাই দ্বিধা জাগে।
স্বপ্নের জল সিঁড়ি বেয়ে ওঠা পথ হয়ে গেছে আগুনের পথ,
কোমল প্রেমও হয়েছে পাথর,এই নিরেট সভ্যতার বুকে দেখি-
পাথর জীবন, পাথরের ফুল, পাথরের চোখ।
কুমারী বুকের হিরণ্ময় দ্যুতি জ্বলে জ্বলে ফিকে হয়ে গেছে,
উগ্রতায় বিলীন হয়েছে মুগ্ধতা ।
প্রাচীরের মত স্তম্ভিত সুদিঢ় বিশ্বাস আজ দেখি ঠুনকো,
প্রশান্তির নীড়ে আঘাত হানে প্রবঞ্চনার বান
-তাই দ্বিধা জাগে।
আজ দ্বিধা জাগে,বলতে পারি না ভালোবাসি কেননা-
আমার ভালবাসাও হিংস্র, তীক্ষ্ণ দৃষ্টির বাজপাখি,
আমি হতে পারিনি অপার্থিব মানুষ।
কাল-নাগের বিষফণা আমার হৃদয়ে,রক্তিম মৃত্যু হয়-
বিষদাঁতের ভয়াল ছোবলে যা বড় যাতনাময়
-তাই দ্বিধা জাগে।
মহাকালের বুকে জমা উজ্জ্বল ইতিহাস আজ দেখি মলিন,
ভাঙনের স্মৃতিকথা আজ হয়েছে উপক্ষেতি,হয়েছে রুপ কথার গল্প।
মূল্যায়ন শুধু অভিধানের পাতায় নিশ্চুপ ধংসের দিন গোনে,
আমারা যাকে সমাজ বলি তার বুকেই আশ্রয় গড়েছে-
পরজীবী ছত্রাক,প্রাননাশী ভাইরাস । নিত্য ছুটে চলেছে-
অসামাজিক কর্মকাণ্ডের দুরন্ত পাগলা ঘোড়া
-তাই দ্বিধা জাগে।
ঘুণপোকার মত প্রতিনিয়ত জীবনকে কুরে কুরে খাচ্ছে জীবনই,
যে আনন্দ বেদনায় মানুষ বদলে যায় ক্ষণিকের তরে -
তার অস্তিত্ব কেবলই শূন্যতায়, স্পর্শের বাইরে ,
তাই- সবই মনে হয় অবান্তর।
যে সময়ের প্রত্যাশায় মানুষ কেবলই দিন গোনে-
পঞ্জিকার পাতার দিকে তাকিয়ে, তা চলে যায় নিঃশব্দে,
পড়ে থাকে শুধু যাতনাময় অযাচিত সময়
-তাই দ্বিধা জাগে।
বর্ণময় আলোকসজ্জায় বাড়ে সৌন্দর্য,বাড়ে পাপ-ধ্বংস, তবুও-
হাসিমুখ, ক্রিস্টালের আলোর খাঁজে কালচার।
বোধে নেই-শ্রদ্ধা , ঈশ্বরও আপেক্ষিক ,
কবিতা বইয়ের কষ্ট লেখা পাতায় বানানো ঠোঙা হাতে-
হেঁটে যায় জীর্ণ অবুঝ বালক,
নিঃসঙ্গ মৃত্যু হয় অপ্রকাশিত লেখাগুলোর নিভৃতে
-তাই দ্বিধা জাগে।
জন্মের শুরু থেকে ক্ষুধা সত্য,চির অমর,
বাস্তবতায় নির্মম,নিষ্ঠুর অভাবনীয় নির্লজ্জ তাই-
ক্ষুধার্ত কাক, ক্ষুধার্ত শকুনের ঠোঁট দেখে জাগে শঙ্কা,জাগে মায়াও ।
এক টুকরো রুটি নিয়ে চলে যুদ্ধ ক্ষুধার্ত কুকুর আর-
দুর্ভাগ্যের বালকের সাথে । ভাগ্যবান মানুষেরও ক্ষুধা আছে কামের-
ক্ষুধা আছে লালসার ।
সর্বগ্রাসী ক্ষুধাও আছে এই পৃথ্বীতলে।
ক্ষুধার রাজ্যে কেউ ফুটপাতে,কেউ অভিজাত পান্থশালায়-
সাজানো শান্তি নিকেতনে,তবুও জাগ্রত অতৃপ্ততা ।
আমিও ক্ষুধার্ত হই , ভিতরে জেগে ওঠে নির্লজ্জ এক স্বত্বা,
তবে কি আমার ভিতরে দ্বৈত স্বত্বার সাংঘর্ষিক বসবাস?
নাকি আমিও অমানুষ?
-আজ দ্বিধা জাগে।
দ্বিধা জাগে- মনে, প্রতিটি ক্ষণে, কারনে অকারণে-
দ্বিধা জাগে- জীবনের কঠিন বাস্তবতার সম্মুখে দাড়িয়ে,
দ্বিধা জাগে- হৃদয়ের মাটিতে বোনা স্বপ্ন বীজের অঙ্কুরতায়,
দ্বিধা জাগে- মূর্তিমান বেদনায়,প্রানবন্ত উচ্ছ্বাসের আলোয়,
দ্বিধা জাগে- অর্বাচীন পাখির ঠিকানাহীন জীবন যাপনে,
দ্বিধা জাগে- হিংস্র শিকারির চোখে হিংস্রতা আবার মায়া দেখে,
দ্বিধা জাগে- অতৃপ্ত আত্মার কান্না, হাসি,আস্ফুট গানে,
রহস্যময় নিকষ আঁধারের সূচনায়, ক্লান্ত ভোরের ক্লান্তি ভরা মুখে,
ক্ষীয়মাণ আলো শেষে অন্ধকারে ঝলসানো অগ্নি-নারীর মুখ দেখে
-আজ দ্বিধা জাগে।
দ্বিধা জাগে- সদ্য জন্ম নেওয়া রাঙ্গা শিশুর অজ্ঞাত কথায়-
মৃত্যুশয্যায় শায়িত বৃদ্ধর পৃথিবীকে জানানো চির বিদায়ের বানীতে।
দ্বিধা জাগে- মাটিতে পড়ে থাকা ভাঙ্গা পাঁজরের হাড়,মাথার খুলি দেখে,
দ্বিধা জাগে- নতুন সূর্যোদয়ে আবার তার নিভে যাওয়া অনুক্ষণে,
দ্বিধা জাগে- ব্যস্ত রাজপথে আবার তার নির্বাক ঘুমন্ত জনশূন্যতায়,
দ্বিধা জাগে- প্রোগৈতিহাসিক কালের সূচনার কথা শুনে,
সভ্যতার বুকে নির্মম ধ্বংসের দৃশ্যায়নে, দ্বিধা আজ-
রক্তে ভেজা পতাকায়, সার্বভৌমত্বে, অর্জিত স্বাধীনতায়।
আজ দ্বিধা জাগে- বিবর্তনে, এপার- ওপার, নির্বাসিত ঈশ্বরে ।
শূন্যে ভেসে যাওয়া পাখির ডানায় সুখ দেখে ভাবি আমি-
হয়তো সব হয়ে গেছে লুট,এখানে শুধুই হাহাকার,
এ শুধু কেবলই বিরান ভুমি
-তাই দ্বিধা জাগে।
অরণ্যের কাঁচা সবুজের মাঝে বিষ কাঁটা,
চোরা-আগুন শুকনো পাতায়, দ্বিধা তাই পথ চলায়-
বিচরিত পতঙ্গের জীবন পারাপারে।
বাতাসের প্রানে বিষবাস্প,মিশে আছে মৃত্যুর ছায়া,
তবুও আশৈশব অভ্যস্ত,ক্রমেই ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাওয়া।
আজ প্রান ভরে শ্বাস নিতে -তাই দ্বিধা জাগে।
যে মাটির বুকে মানুষ বেঁধেছে ঘর, আজ বুঝি তা ভঙ্গুর,
যে আকাশ ভেবেছি সীমাহীন আজ তার সীমারেখা সম্মুখে।
আজ দেখি নক্ষত্র আলোক বিন্দুরও আছে অপমৃত্যু,
শতাব্দীর বুকে টিকে থাকতে পারে না ধীরেন কচ্ছপও।
ঘাস ফড়িং,রঙিন ঘুড়ি,দুরন্ত ফিঙে পাখিটার ডানায়ও-
ভর করে ক্লান্তি। ফুরিয়ে যায় প্রদীপের ভেজা সলতে
-তাই দ্বিধা জাগে।
স্বপ্নের জল সিঁড়ি বেয়ে ওঠা পথ হয়ে গেছে আগুনের পথ,
কোমল প্রেমও হয়েছে পাথর,এই নিরেট সভ্যতার বুকে দেখি-
পাথর জীবন, পাথরের ফুল, পাথরের চোখ।
কুমারী বুকের হিরণ্ময় দ্যুতি জ্বলে জ্বলে ফিকে হয়ে গেছে,
উগ্রতায় বিলীন হয়েছে মুগ্ধতা ।
প্রাচীরের মত স্তম্ভিত সুদিঢ় বিশ্বাস আজ দেখি ঠুনকো,
প্রশান্তির নীড়ে আঘাত হানে প্রবঞ্চনার বান
-তাই দ্বিধা জাগে।
আজ দ্বিধা জাগে,বলতে পারি না ভালোবাসি কেননা-
আমার ভালবাসাও হিংস্র, তীক্ষ্ণ দৃষ্টির বাজপাখি,
আমি হতে পারিনি অপার্থিব মানুষ।
কাল-নাগের বিষফণা আমার হৃদয়ে,রক্তিম মৃত্যু হয়-
বিষদাঁতের ভয়াল ছোবলে যা বড় যাতনাময়
-তাই দ্বিধা জাগে।
মহাকালের বুকে জমা উজ্জ্বল ইতিহাস আজ দেখি মলিন,
ভাঙনের স্মৃতিকথা আজ হয়েছে উপক্ষেতি,হয়েছে রুপ কথার গল্প।
মূল্যায়ন শুধু অভিধানের পাতায় নিশ্চুপ ধংসের দিন গোনে,
আমারা যাকে সমাজ বলি তার বুকেই আশ্রয় গড়েছে-
পরজীবী ছত্রাক,প্রাননাশী ভাইরাস । নিত্য ছুটে চলেছে-
অসামাজিক কর্মকাণ্ডের দুরন্ত পাগলা ঘোড়া
-তাই দ্বিধা জাগে।
ঘুণপোকার মত প্রতিনিয়ত জীবনকে কুরে কুরে খাচ্ছে জীবনই,
যে আনন্দ বেদনায় মানুষ বদলে যায় ক্ষণিকের তরে -
তার অস্তিত্ব কেবলই শূন্যতায়, স্পর্শের বাইরে ,
তাই- সবই মনে হয় অবান্তর।
যে সময়ের প্রত্যাশায় মানুষ কেবলই দিন গোনে-
পঞ্জিকার পাতার দিকে তাকিয়ে, তা চলে যায় নিঃশব্দে,
পড়ে থাকে শুধু যাতনাময় অযাচিত সময়
-তাই দ্বিধা জাগে।
বর্ণময় আলোকসজ্জায় বাড়ে সৌন্দর্য,বাড়ে পাপ-ধ্বংস, তবুও-
হাসিমুখ, ক্রিস্টালের আলোর খাঁজে কালচার।
বোধে নেই-শ্রদ্ধা , ঈশ্বরও আপেক্ষিক ,
কবিতা বইয়ের কষ্ট লেখা পাতায় বানানো ঠোঙা হাতে-
হেঁটে যায় জীর্ণ অবুঝ বালক,
নিঃসঙ্গ মৃত্যু হয় অপ্রকাশিত লেখাগুলোর নিভৃতে
-তাই দ্বিধা জাগে।
জন্মের শুরু থেকে ক্ষুধা সত্য,চির অমর,
বাস্তবতায় নির্মম,নিষ্ঠুর অভাবনীয় নির্লজ্জ তাই-
ক্ষুধার্ত কাক, ক্ষুধার্ত শকুনের ঠোঁট দেখে জাগে শঙ্কা,জাগে মায়াও ।
এক টুকরো রুটি নিয়ে চলে যুদ্ধ ক্ষুধার্ত কুকুর আর-
দুর্ভাগ্যের বালকের সাথে । ভাগ্যবান মানুষেরও ক্ষুধা আছে কামের-
ক্ষুধা আছে লালসার ।
সর্বগ্রাসী ক্ষুধাও আছে এই পৃথ্বীতলে।
ক্ষুধার রাজ্যে কেউ ফুটপাতে,কেউ অভিজাত পান্থশালায়-
সাজানো শান্তি নিকেতনে,তবুও জাগ্রত অতৃপ্ততা ।
আমিও ক্ষুধার্ত হই , ভিতরে জেগে ওঠে নির্লজ্জ এক স্বত্বা,
তবে কি আমার ভিতরে দ্বৈত স্বত্বার সাংঘর্ষিক বসবাস?
নাকি আমিও অমানুষ?
-আজ দ্বিধা জাগে।
দ্বিধা জাগে- মনে, প্রতিটি ক্ষণে, কারনে অকারণে-
দ্বিধা জাগে- জীবনের কঠিন বাস্তবতার সম্মুখে দাড়িয়ে,
দ্বিধা জাগে- হৃদয়ের মাটিতে বোনা স্বপ্ন বীজের অঙ্কুরতায়,
দ্বিধা জাগে- মূর্তিমান বেদনায়,প্রানবন্ত উচ্ছ্বাসের আলোয়,
দ্বিধা জাগে- অর্বাচীন পাখির ঠিকানাহীন জীবন যাপনে,
দ্বিধা জাগে- হিংস্র শিকারির চোখে হিংস্রতা আবার মায়া দেখে,
দ্বিধা জাগে- অতৃপ্ত আত্মার কান্না, হাসি,আস্ফুট গানে,
রহস্যময় নিকষ আঁধারের সূচনায়, ক্লান্ত ভোরের ক্লান্তি ভরা মুখে,
ক্ষীয়মাণ আলো শেষে অন্ধকারে ঝলসানো অগ্নি-নারীর মুখ দেখে
-আজ দ্বিধা জাগে।
দ্বিধা জাগে- সদ্য জন্ম নেওয়া রাঙ্গা শিশুর অজ্ঞাত কথায়-
মৃত্যুশয্যায় শায়িত বৃদ্ধর পৃথিবীকে জানানো চির বিদায়ের বানীতে।
দ্বিধা জাগে- মাটিতে পড়ে থাকা ভাঙ্গা পাঁজরের হাড়,মাথার খুলি দেখে,
দ্বিধা জাগে- নতুন সূর্যোদয়ে আবার তার নিভে যাওয়া অনুক্ষণে,
দ্বিধা জাগে- ব্যস্ত রাজপথে আবার তার নির্বাক ঘুমন্ত জনশূন্যতায়,
দ্বিধা জাগে- প্রোগৈতিহাসিক কালের সূচনার কথা শুনে,
সভ্যতার বুকে নির্মম ধ্বংসের দৃশ্যায়নে, দ্বিধা আজ-
রক্তে ভেজা পতাকায়, সার্বভৌমত্বে, অর্জিত স্বাধীনতায়।
আজ দ্বিধা জাগে- বিবর্তনে, এপার- ওপার, নির্বাসিত ঈশ্বরে ।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন