প্রেমের কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রেমের কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

আমি চাই এক টুকরো শুদ্ধতা

বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪


রঙ্গিন কাগজে মোড়া ভ্যালেন্টাইন কিমবা-
নিষ্প্রাণ ফুলের ভালবাসা আমি চাই না,
অনর্থক মিথ্যে প্রত্যাশায় খুজিনাকো প্রেম,
তবে চুলচেরা বিশ্লেষণে বন্দী নেই আমার চাওয়া,সত্য স্বপ্ন,
তাই,হৃদয়ে হৃদয় স্পর্শের বাসনাকে পুষি বক্ষ কুঠিরে।
নীল জলে নয়,আমি সিক্ত হতে চাই তোমার নিগুড় নোনা অশ্রুতে ।   
আমি আকাশ,সাগর কিমবা বিমুগ্ধ নায়াগ্রার জলপ্রপাত চাই না,
আমি চাই এক টুকরো শুদ্ধতা। 

প্রজাপতির রঙ্গিন ডানা,রঙ্গিন গোধূলি কিমবা-
রংধনু আমায় নাইবা দিলে,তাতে দুঃখ নেই,
নাইবা পেলাম সন্ধ্যার আকাশে জ্বলে ওঠা সুখতাঁরা,
জোনাকির মিটিমিটি আলোর মাঝে খুঁজি না তোমায়-
খুঁজি না আর স্বপ্নবোনা মেঘের ডানায়,মায়াবী ঐ চাঁদের আলোয়।    
ঝর্ণাধারায় নয়,আমি অবগহন করতে চাই তোমার অমিয় প্রেমধারায়।
আমি পাহাড় ছোঁয়া মেঘ কিমবা শূন্যে দোলা ব্যবিলনের উদ্যান চাই না,
আমি চাই এক টুকরো শুদ্ধতা। 

জলরং ছোঁয়া রঙ্গিন ক্যানভাস কিমবা-
কোন রঙ্গিন ছবি আমি চাই না,

চাই না রূপকথার সব রং এনে রাঙ্গাতে জীবন,
হলির রঙ্গেও রাঙ্গাতে চাই না আমার এই ধুলোমাখা মুখ,
শুধু-ধরার বুকে কাদা মাটি মাখা স্বপ্ন আঁকি,তবে তা সমুদ্র তীরে নয়।
সম্মুখের উঠোন জুড়ে স্বপ্নগুলো পড়ে থাকে ঘাস ফুলে,উষ্ণ মাটিতে

আমি চাই না অরোরা বোরিয়ালিস কিম্বা
অস্ট্রালিস মেরুজ্যোতির আভা,
আমি চাই এক টুকরো শুদ্ধতা।   
  

আমার নৈসর্গিক ভালোবাসা

শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৪

সৈর্গিক ভালোবাসা আমি দেখিনি, পাইনি অলৌকিক স্পর্শ,
আমার ভালোবাসা একান্ত আমার নৈসর্গিক রূপে।
অতৃপ্ত আত্মার আহত রুপ দেখনি তুমি বিগলিত চিত্তে,
দেখনি প্রচ্ছন্ন বেদনায় দগ্ধ স্পর্শকাতর আকুলতা।
জানি,সব আকুলতার মানে বুঝতে নেই,তবু কেন এত আক্ষেপ?
কেন এত প্রেমাবেগ অবুঝ হৃদয়ের এই জীর্ণ কুঠিরে।
জানি হবে না পরিণয়, একটুখানি স্পর্শও -
তোমার আমার মাঝে যে বৈষম্যের মস্ত আধারিত দেয়াল।
আমার স্বপ্নগুলো নক্ষত্রের মত জ্বলে উঠে নিভে যায় নিমেষেই,
মলিন মাটির বুকে আমি দাড়িয়ে দেখি শুধু লুকোচুরি খেলা।
অহর্নিশ ভালোবাসা বেদনার আলিঙ্গনে হয় দিকভ্রান্ত,
অবরুদ্ধ অশ্রুর কাব্য কেবল জানে আমার অন্তর্যামী ।
জানি প্রতীক্ষার পালা শেষ হবে না কোনদিনও,
তবুও, তোমার হৃৎপিণ্ডের পাশে রইব আমি বায়ুবীয় হয়ে ।।