রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
বরুদা তুমি শুনতে পাচ্ছ?
তির তির করে কেঁপে ওঠা বাতাস আজ ফিরিয়ে দিচ্ছে-
সেই শ্লোগান। রাত মশালের উষ্ণতা।
তোমার বুক পকেটে রক্তে ভেজা চিঠিটা হাতে নিতেই-
মুখটা আমার রক্তিম হয়ে উঠেছে, তাকিয়ে দেখ-
আমি কাঁদছি না, আমি নিভছি না,
আমি জ্বলে উঠছি বারুদের মত ।
আমার ভিতরে উঠছে কালবৈশাখী ঝড়ের মাতন,
আমি গর্জে উঠছি উত্তাল ঢেউ এর মত।
আমার রক্তে মিশে আছে দেখ সংগ্রামী চেতনা,
দেখ আজও লালিত আমার প্রানে-
সেই বাংলা ভাষার সরলিপি, সেই প্ল্যাকার্ড হাতে-
মাতৃ ভাষার অস্তিত্তের দাবি। তুমি শুনতে পাচ্ছ?
বড় ব্যথা ওঠে যখন অবজ্ঞায় দূরে সরিয়ে দেয় ওরা-
ভাষার সকীয়তা, ভাষার বৈভব।
ভিতরে ভিতরে আমি বিদ্রোহী হয়ে উঠি-
আমারা হৃদয় চত্তরে নামে প্রানবন্ত প্রতিবাদের মিছিল,
বুকের ব্যনারে লিখি ভাষার যথাযত মূল্যায়ন চাই।
দিনের কাছে আমি পড়ন্ত বিকেল-
নতুন প্রজন্মের কাছে হয়ত পঙ্গু, অকার্যকর,
কিন্তু- আমার প্রানের সুর, চুপকথা, গান-
আজও অম্লান। আজও আমার কণ্ঠ হয়নি মলিন ।
কোথায় তুমি? এত অভিমান কেন তোমার?
বরুদা ! বরুদা তুমি কি শুনতে পাচ্ছ?
আমার বুকের স্পন্দন,আমার নিভৃত আকুতি-
আমার অব্যক্ত কথার গুমড়ে কাঁদা আর্তনাদ,
আমার চিৎকার করা ধ্বনি কিমবা প্রতিধ্বনি ।
রসনার রৈদ্রদগ্ধ কৃষ্ণচূড়া তলায় দেখ আজ-
বিক্রি হচ্ছে আদর্শলিপি, লাল চুড়ি, সবুজ ফিতা,
পতাকা, হাসিমাখা সস্তা প্রেমের গল্প, উপন্যাস,
আমার পরনে নেই নীল শাড়ি, খোঁপায় নেই-
বেলি ফুলের মালা,সাদা শাড়িতেই এখন আমার-
নিত্য আসা যাওয়া। আমি আজও কবিতা লিখি-
গোটা গোটা বাংলা অক্ষরের ফুল দিয়ে।
কিন্তু একটি কবিতাও ছাপা হয়নি কোথাও,
সত্যি বলছি-আমার কবিতাগুলো সব তোমাকে ঘিরে,
তুমি কি শুনবে বল সব ?
বিকেল হতেই আজ আকাশের কি হল বলত?
অবিরাম অশ্রু ফেলে আমাকে শান্ত করে দিতে চাইছে।
আকাশের নীলগুলো সব হারিয়ে গেছে -
হারিয়ে গেছে কাশফুল ছোঁয়া টুকরো সাদা মেঘের দল,
গুমোট মেঘে মেঘে নেমে এসেছে অন্ধকার।
আচ্ছা! আমার বুকের ভেতরটা হঠাৎ শূন্য হয়ে এলো কেন?
কোথায় তুমি? তুমি কি শুনতে পাচ্ছ না আমার কথা?
নিঝুম রাতের নির্ঘুম জোনাকির সাথে কথা বলে বলে আমি-
ঘুমিয়ে পড়ি ।তারপর নেমে আসে শুভ্র সকাল।
ঘোমটা দেওয়া জানালায় দেখ রোদ উঠেছে,
দেখ শিশির পড়েছে তাজা সবুজ ঘাসের কোলে।
এ তোমার প্রতিশ্রুতির রাঙা ভোর নয় জানি,
জানি সম্মুখের নির্জন রাস্তায় হয়ত উড়ে যাবে কাক
শূন্য এ পথ জুড়ে থাকবে শুধু ঘোর লাগা সময়-
আর এক জোড়া ধুসর-কালো চোখ।
যে চোখে জ্বালা, যে চোখে তৃষ্ণা-
যে চোখে ভেসে ওঠে আজও সেই রক্তাত্ত রাজপথ
নিশ্চুপ ঘুমন্ত মুখের ছবি।
তির তির করে কেঁপে ওঠা বাতাস আজ ফিরিয়ে দিচ্ছে-
সেই শ্লোগান। রাত মশালের উষ্ণতা।
তোমার বুক পকেটে রক্তে ভেজা চিঠিটা হাতে নিতেই-
মুখটা আমার রক্তিম হয়ে উঠেছে, তাকিয়ে দেখ-
আমি কাঁদছি না, আমি নিভছি না,
আমি জ্বলে উঠছি বারুদের মত ।
আমার ভিতরে উঠছে কালবৈশাখী ঝড়ের মাতন,
আমি গর্জে উঠছি উত্তাল ঢেউ এর মত।
আমার রক্তে মিশে আছে দেখ সংগ্রামী চেতনা,
দেখ আজও লালিত আমার প্রানে-
সেই বাংলা ভাষার সরলিপি, সেই প্ল্যাকার্ড হাতে-
মাতৃ ভাষার অস্তিত্তের দাবি। তুমি শুনতে পাচ্ছ?
বড় ব্যথা ওঠে যখন অবজ্ঞায় দূরে সরিয়ে দেয় ওরা-
ভাষার সকীয়তা, ভাষার বৈভব।
ভিতরে ভিতরে আমি বিদ্রোহী হয়ে উঠি-
আমারা হৃদয় চত্তরে নামে প্রানবন্ত প্রতিবাদের মিছিল,
বুকের ব্যনারে লিখি ভাষার যথাযত মূল্যায়ন চাই।
দিনের কাছে আমি পড়ন্ত বিকেল-
নতুন প্রজন্মের কাছে হয়ত পঙ্গু, অকার্যকর,
কিন্তু- আমার প্রানের সুর, চুপকথা, গান-
আজও অম্লান। আজও আমার কণ্ঠ হয়নি মলিন ।
কোথায় তুমি? এত অভিমান কেন তোমার?
বরুদা ! বরুদা তুমি কি শুনতে পাচ্ছ?
আমার বুকের স্পন্দন,আমার নিভৃত আকুতি-
আমার অব্যক্ত কথার গুমড়ে কাঁদা আর্তনাদ,
আমার চিৎকার করা ধ্বনি কিমবা প্রতিধ্বনি ।
রসনার রৈদ্রদগ্ধ কৃষ্ণচূড়া তলায় দেখ আজ-
বিক্রি হচ্ছে আদর্শলিপি, লাল চুড়ি, সবুজ ফিতা,
পতাকা, হাসিমাখা সস্তা প্রেমের গল্প, উপন্যাস,
আমার পরনে নেই নীল শাড়ি, খোঁপায় নেই-
বেলি ফুলের মালা,সাদা শাড়িতেই এখন আমার-
নিত্য আসা যাওয়া। আমি আজও কবিতা লিখি-
গোটা গোটা বাংলা অক্ষরের ফুল দিয়ে।
কিন্তু একটি কবিতাও ছাপা হয়নি কোথাও,
সত্যি বলছি-আমার কবিতাগুলো সব তোমাকে ঘিরে,
তুমি কি শুনবে বল সব ?
বিকেল হতেই আজ আকাশের কি হল বলত?
অবিরাম অশ্রু ফেলে আমাকে শান্ত করে দিতে চাইছে।
আকাশের নীলগুলো সব হারিয়ে গেছে -
হারিয়ে গেছে কাশফুল ছোঁয়া টুকরো সাদা মেঘের দল,
গুমোট মেঘে মেঘে নেমে এসেছে অন্ধকার।
আচ্ছা! আমার বুকের ভেতরটা হঠাৎ শূন্য হয়ে এলো কেন?
কোথায় তুমি? তুমি কি শুনতে পাচ্ছ না আমার কথা?
নিঝুম রাতের নির্ঘুম জোনাকির সাথে কথা বলে বলে আমি-
ঘুমিয়ে পড়ি ।তারপর নেমে আসে শুভ্র সকাল।
ঘোমটা দেওয়া জানালায় দেখ রোদ উঠেছে,
দেখ শিশির পড়েছে তাজা সবুজ ঘাসের কোলে।
এ তোমার প্রতিশ্রুতির রাঙা ভোর নয় জানি,
জানি সম্মুখের নির্জন রাস্তায় হয়ত উড়ে যাবে কাক
শূন্য এ পথ জুড়ে থাকবে শুধু ঘোর লাগা সময়-
আর এক জোড়া ধুসর-কালো চোখ।
যে চোখে জ্বালা, যে চোখে তৃষ্ণা-
যে চোখে ভেসে ওঠে আজও সেই রক্তাত্ত রাজপথ
নিশ্চুপ ঘুমন্ত মুখের ছবি।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন