বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৪
অদৃশ্য অন্তহীন চক্রে ঘূর্ণায়মান কালের দৃশ্যপট,
নতুন সূর্যোদয় যেন মহাকালের নব পরিক্রমা।
আলোকিত চারিদিক কিন্তু তার নিচে চাপা পড়ে আছে নিকষ অন্ধকার-
বিবর্তনের বর্ণ গুলো আজ বড় এলোমেলো, দিকভ্রান্ত।
হয়তো আশীর্বাদে নয়তো অভিশাপে সৃষ্টি এ ধরার ধুলি,এক মহা প্রাচীর-
সে প্রাচীরের এ পাশে প্রহেলিকার আনাগোনা।
বাতাসে মিশে আছে মোহ ভ্রান্তি আর কলুষিত প্রতিধ্বনি
মিশে আছে স্পষ্ট অস্পষ্ট উন্মত্ত উন্মাদনার সুর।
হয়তো আদিম দেবতারা এসে ফিরে গেছে-
ফিরে গেছে পৌরাণিক সেই ভূখণ্ড কিমবা সমুদ্রপৃষ্ঠের আবাস থেকে ঈশ্বর।
অসহ্য ধংষজজ্ঞ, উন্মত্ত-উন্মাদনাময় নৃত্যের উচ্ছৃঙ্খল আঞ্জামে-
হয়তবা ফিরে গেছে লাজে,রাগে,খোবে,অভিমানে।
বিন্দু বিন্দু ঘাম, হাজারও মাথার খুলি আর পাঁজরের হাড় গুলো সব মিলিয়ে গেছে -
মিলিয়ে গেছে ঐ সুদুরে নক্ষত্রের মাঝে।
হয়তো তিমির অন্ধকারে সেই সব মৃতদেহের আত্মা ফিরে আসে -
কালের আঁধারিত প্রান্তে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।
জোনাকির নীলাভ দ্যুতি ছড়ায় রাতের আঁধারে এ ভুবন তলে,
সূর্যরশ্মি আর স্ব স্ব- অস্তিত্বের শক্তি ঘটায় কালের ক্রমবিকাশ, বিবর্তন।
সুউচ্চ বরফ চুড়া গলে গলে মিশে যায় রহস্যময় মহাসাগরের সাথে-
পাঁজর ভাঙ্গা হাড় কঙ্কাল মিশে যায় মায়ার এ মৃত্তিকায়।
সময়ের রথে চড়ে এসেছে সভ্যতা, এসেছে ক্রান্তিময় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে
নিরবিচ্ছিন্ন অভিযোজনে উপনীত আজ আমাদের জীবনধারা,
তবে তা শাশ্বত কল্যাণের নাকি বিপন্নতার আয়োজনে?
শূন্যতায় মিলিয়ে যায় সে প্রশ্ন, মেলে না উত্তর।
সভ্যতার চরম শিখরে উঠেও আজও আমরা খুঁজে পাই-
ঘাসের শিশিরের সাথে মিশে থাকা মানুষের রক্ত।
যে মশাল দিয়ে আলোকিত করেছিল গুহাবাসী তাদের আবাসস্থল-
সে মশাল দিয়েই আজ আমরা পুড়িয়ে দিই আমাদেরই ঘর ।
নিষ্পেষণ,জুলুমের শূলে চড়িয়ে আমরাই মত্ত হই-
মহা আনন্দের অন্ধ, বধির, নির্মম উল্লাসে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে।
হাজারও মৃতদেহের উপর দাঁড়িয়ে করি উন্মত্ত নৃত্য,
ভয়ে কাঁপিয়ে দেই জল্লাদের পাষাণী বুক।
রক্ত পিপাসু হিংস্র জানোয়ারের মত আজ আমরাই-
খুবলে খাচ্ছি মানুষের বুক, চুষে নিচ্ছি মানুষের রক্ত।
সহস্র আজরাইলের রুপ ধারন করছি এই আমরাই-
নতুন সূর্যোদয় যেন মহাকালের নব পরিক্রমা।
আলোকিত চারিদিক কিন্তু তার নিচে চাপা পড়ে আছে নিকষ অন্ধকার-
বিবর্তনের বর্ণ গুলো আজ বড় এলোমেলো, দিকভ্রান্ত।
হয়তো আশীর্বাদে নয়তো অভিশাপে সৃষ্টি এ ধরার ধুলি,এক মহা প্রাচীর-
সে প্রাচীরের এ পাশে প্রহেলিকার আনাগোনা।
বাতাসে মিশে আছে মোহ ভ্রান্তি আর কলুষিত প্রতিধ্বনি
মিশে আছে স্পষ্ট অস্পষ্ট উন্মত্ত উন্মাদনার সুর।
হয়তো আদিম দেবতারা এসে ফিরে গেছে-
ফিরে গেছে পৌরাণিক সেই ভূখণ্ড কিমবা সমুদ্রপৃষ্ঠের আবাস থেকে ঈশ্বর।
অসহ্য ধংষজজ্ঞ, উন্মত্ত-উন্মাদনাময় নৃত্যের উচ্ছৃঙ্খল আঞ্জামে-
হয়তবা ফিরে গেছে লাজে,রাগে,খোবে,অভিমানে।
বিন্দু বিন্দু ঘাম, হাজারও মাথার খুলি আর পাঁজরের হাড় গুলো সব মিলিয়ে গেছে -
মিলিয়ে গেছে ঐ সুদুরে নক্ষত্রের মাঝে।
হয়তো তিমির অন্ধকারে সেই সব মৃতদেহের আত্মা ফিরে আসে -
কালের আঁধারিত প্রান্তে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।
জোনাকির নীলাভ দ্যুতি ছড়ায় রাতের আঁধারে এ ভুবন তলে,
সূর্যরশ্মি আর স্ব স্ব- অস্তিত্বের শক্তি ঘটায় কালের ক্রমবিকাশ, বিবর্তন।
সুউচ্চ বরফ চুড়া গলে গলে মিশে যায় রহস্যময় মহাসাগরের সাথে-
পাঁজর ভাঙ্গা হাড় কঙ্কাল মিশে যায় মায়ার এ মৃত্তিকায়।
সময়ের রথে চড়ে এসেছে সভ্যতা, এসেছে ক্রান্তিময় বিবর্তনের মধ্য দিয়ে
নিরবিচ্ছিন্ন অভিযোজনে উপনীত আজ আমাদের জীবনধারা,
তবে তা শাশ্বত কল্যাণের নাকি বিপন্নতার আয়োজনে?
শূন্যতায় মিলিয়ে যায় সে প্রশ্ন, মেলে না উত্তর।
সভ্যতার চরম শিখরে উঠেও আজও আমরা খুঁজে পাই-
ঘাসের শিশিরের সাথে মিশে থাকা মানুষের রক্ত।
যে মশাল দিয়ে আলোকিত করেছিল গুহাবাসী তাদের আবাসস্থল-
সে মশাল দিয়েই আজ আমরা পুড়িয়ে দিই আমাদেরই ঘর ।
নিষ্পেষণ,জুলুমের শূলে চড়িয়ে আমরাই মত্ত হই-
মহা আনন্দের অন্ধ, বধির, নির্মম উল্লাসে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে।
হাজারও মৃতদেহের উপর দাঁড়িয়ে করি উন্মত্ত নৃত্য,
ভয়ে কাঁপিয়ে দেই জল্লাদের পাষাণী বুক।
রক্ত পিপাসু হিংস্র জানোয়ারের মত আজ আমরাই-
খুবলে খাচ্ছি মানুষের বুক, চুষে নিচ্ছি মানুষের রক্ত।
সহস্র আজরাইলের রুপ ধারন করছি এই আমরাই-
তবুও আমরা পরিচয় দিচ্ছি আমরা মানুষ, আমরা সভ্য জাতি!!
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন