একটি দিনান্তের সরল অনুলিপি

শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৪

রুশ বান্ধবী লিলির অনুরোধে বেশ ঢিমেতালে ডাউনলোড চলছে-
“দ্যা রিটার্ন” সিনেমার ব্লু-রে প্রিন্ট কপি-উন্মুক্ত টরেন্টের বুকে।
আর আমি শুয়ে আছি বাংলা অভিধান নিয়ে নতুন শব্দ অন্বেষণে,
পৌরাণিক শব্দটা চোখে পড়তেই মনে পড়ে গেল কল্প কাহিনী-
মৎসকুমারী কিয়ান্ডা এবং অন্যান্য পৌরাণিক কাহিনীর অংশ বিশেষ
পিপেটেলার রচিত “কিয়ান্ডার নিরবতা” বইটি সত্যিই চমৎকার ,
এখনও বুকসেলফে শিশুর মত ঘুমিয়ে আছে বইটি নিঃসঙ্কোচে।
স্পীকারে লো ভলিউয়মে চলছে রবীন্দ্র সঙ্গীত “আমি চিনি গো..”,
রবীন্দ্রনাথ বিদেশিনীকে কিভাবে চিনেছিল তার কিছুই জানি না আমি-
তাই,কাজটা মনে হয় একটু বেশি-ই শ্রমসাধ্য হয়ে যাচ্ছে আমার জন্য।
লিলির পাঠানো পিটবোলের রিমিক্সের লিংক গুলো জমেছে ইনবক্সে-
এখনও দেখা হয়নি একটিও,সত্যি কথা বলেতে ইচ্ছে জাগেনি ।
তবে,রাশিয়ার ত্রেপাক নাচের সাথে প্রেস্তো লয়ের অর্কেস্ট্রা সঙ্গীতে-
আমার ভালো লাগাটা চুপিসারে পৌঁছে গেছে মনের অজান্তেই ,
লিলিকে বলতেই ঝুপ করে ফেলে দিল তার সরল হাসির ঝুলিটা ,
আমিও হেসেছি তবে আমার হাসিটা সত্যি ছিল না মোটেও।
আমি তাকে শুনিয়েছি অতুলপ্রসাদের বাংলা ঠুংরি ধারার গান ,
তাই, আমি হয়েছি নিরস,ডিসপাইরিটি ফর্মুলার ফ্যকাসে সমীকরণ ।
দেয়াল ঘড়িটা বলে দিচ্ছে আমি এখন দ্বিপ্রহরের শেষ ভাগে,
তাই,বন্ধ করে দিলাম ভাবনার চিলেকোঠার ছোট্ট এই জানালাটা ।
মনে হলেই খুলে দিব বন্ধ জানালাটা,এখন আর নয়,আসি তবে ।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন