বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৪
একটি ছায়ামূর্তির নজর বন্দীতে আমি। চোখের আড়াল হওয়ার নেই কোন উপায় ।
আজন্ম নজরবন্দী আসামি হয়ে চলেছি ছুটে। কখনও বা ধীর-কৌশলে আবার কখনও বা
ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে গিয়ে দাঁড়াতেই সামনে এসেছে তার অবয়ব ।
এক বুক দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে জিজ্ঞেস করি কি তার চাওয়া। কোন উত্তর মেলে না, কেবলই প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরে আসে নিজের প্রশ্ন । একি প্রহেলিকা নাকি প্রহসন ? প্রশ্নবিদ্ধ হই নিজেই। ক্রমেই বেড়ে যায় অলক্ষের অনুভুতিক জগৎ। দ্বিধা-দ্বন্দ্বের কাছে পরাজিত হই বারং বার ।
অতঃপর একদিন দেখি হারিয়ে গেছে ছায়াটি । অবশ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে তাকিয়ে দেখি, খুঁজে ফিরি তাকে। তবুও মেলে না । ভেবে দেখি আজ সত্যিই মিলেছে পরিত্রাণ। তবে এ পরিত্রাণ স্বস্তির নয়,কেবলই অস্তিত্ব বিলীনের ।
এক বুক দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে জিজ্ঞেস করি কি তার চাওয়া। কোন উত্তর মেলে না, কেবলই প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরে আসে নিজের প্রশ্ন । একি প্রহেলিকা নাকি প্রহসন ? প্রশ্নবিদ্ধ হই নিজেই। ক্রমেই বেড়ে যায় অলক্ষের অনুভুতিক জগৎ। দ্বিধা-দ্বন্দ্বের কাছে পরাজিত হই বারং বার ।
অতঃপর একদিন দেখি হারিয়ে গেছে ছায়াটি । অবশ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে তাকিয়ে দেখি, খুঁজে ফিরি তাকে। তবুও মেলে না । ভেবে দেখি আজ সত্যিই মিলেছে পরিত্রাণ। তবে এ পরিত্রাণ স্বস্তির নয়,কেবলই অস্তিত্ব বিলীনের ।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন