ব্যথা ক্রন্দন লেখা ললাটে

শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৪

ঐ অম্বরে ওঠে গম্ভীর সুর,অন্তরে খেদ বিষময়,
যাপিত জীবন জ্বালাময়,চোখে জল আমি অসহায়।
ফের ক্রন্দনে আসে অমানিশা,ঘোর আঁধারের ঘোর ঘোলাটে,
ছিঁড়ি বন্ধন প্রেম বেদনায়, ব্যথা ক্রন্দন লেখা ললাটে।
মধুকুঞ্জের মোহে মধুকারী হয়ে আর রইব না নেশাতুর,
ত্রিনয়নের নেশা মিটাব নিশীথে, বাঁশিতে উঠায়ে সুর।
নাদী-নাদিনীর নাদিত নাদে নন্দিত নাটমন্দির,
দোলে দৈব, দহদী দোসর, দুতিময় দেহ শশধির।
ছুটেছে ত্রিকাল,ত্যজিত তুরগ , তুফানী হাওয়ার তুর্ণি,
মহানন্দের মহড়ায় দেখি-মহাপাতকের চোরা চূর্ণী ।
ঐ লেলিহান লগ্নে লুটায়- লক্ষ লোহিত লুপ্ত প্রান,
শ্রী-বিশ্রী,শ্রাব্য কাব্য পড়ে থাকে শেষে শ্মশান-শ্যাম।
আমি তো আমার, তবু আমার আমিতে রইব না আর বন্দী,
জীর্ণ এ মনে,নব প্লাবনে-ভাসাব সুখের গণ্ডি।
তিমির রাত্রি,বাতি জ্বেলে আমি জেগে থাকি আশা লয়ে,
আসিবে প্রভাত,নিভে যেয়ে রাত- পাখিদের সুরে সুরে।
তবুও কাটে না আঁধারের ঘোর, ফের আকাশেতে মেঘ জমে,
নেচে নেচে ওঠে –নোনা নয়নের জল, বেদনার আঞ্জামে।
শীতল বুকের পেয়ালা ভরেছে-বুদ বুদি দুখ জলে,
উনুনের চেয়ে উষ্ণ হয়েছে- ভাঙ্গা পাঁজরের দাবানলে।
কণ্টকে ভরা কুসুমিত মন, রেনুতে রক্ত বিষ,
ফোটে পঙ্কজ মন সরোবরে, ঘৃত ঘ্রানে-প্রানে তব অনিমিষ ।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন